· ২ মিনিটে পড়া
ফেক অর্ডার আর রিটার্নে বিরক্ত হয়ে অনেক পেজ এখন লিখে দেয়: "ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম করতে হবে।" কাস্টমার আগে বিকাশ বা নগদে চার্জ পাঠালে তবেই পার্সেল যায়। এতে ফেক অর্ডার কমে, এটা সত্যি। কিন্তু এর একটা দামও আছে।
অগ্রিম চার্জ কী ঠিক করে
যিনি সত্যিই পণ্যটা চান না, তিনি আগে টাকা পাঠান না। তাই প্র্যাংক অর্ডার আর "দেখি কী হয়" অর্ডার প্রায় পুরোটাই বাদ পড়ে। পার্সেল ফেরত এলেও অন্তত ডেলিভারি চার্জটা আপনার কাছে থাকে।
অগ্রিম চার্জের দাম
আসল কাস্টমারও চলে যান। ক্যাশ অন ডেলিভারির মূল কথাই হলো পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দেওয়া। নতুন পেজকে অনেকে আগে টাকা পাঠাতে ভরসা পান না। তাঁরা অন্য পেজে অর্ডার করেন, যেখানে অগ্রিম লাগে না।
বাড়তি ধাপ। কাস্টমারকে অ্যাপ খুলে টাকা পাঠাতে হয়, স্ক্রিনশট দিতে হয়। আপনাকে মিলিয়ে দেখতে হয়। প্রতিটা ধাপে কিছু অর্ডার হারিয়ে যায়।
সব সমস্যা মেটে না। অগ্রিম চার্জ দিয়েও ভুল ঠিকানার পার্সেল ফেরত আসে। কাস্টমার পরে মত বদলালে পণ্য ফেরত আসে, শুধু চার্জটা থাকে।
কনফার্মেশন কল কী ঠিক করে
কলে কাস্টমার নিজের মুখে বলেন অর্ডারটা চান কি না। যে নম্বর ফোনই ধরে না, বা যিনি বলেন "অর্ডার দিইনি", সেই অর্ডার শিপ হয় না। একই কলে ঠিকানাও মিলিয়ে নেওয়া যায়, যাতে পার্সেল ঘুরে ফেরত না আসে।
আসল কাস্টমারের কাছে কল কোনো বাধা নয়। বরং একটা ভদ্র কল পেলে অনেকে পেজটাকে বেশি ভরসা করেন।
কোনটা কখন
একটার বদলে অন্যটা না ভেবে, দুটো মিলিয়ে কাজ করুন:
- সব অর্ডারে আগে কল দিন। বেশিরভাগ আসল কাস্টমার কলে কনফার্ম করবেন। তাঁদের কাছে অগ্রিম চাওয়ার দরকার নেই।
- অগ্রিম চার্জ চান শুধু ঝুঁকির অর্ডারে। যেমন: যে নম্বরের আগে রিটার্নের ইতিহাস আছে, অনেক দামি অর্ডার, বা যে কাস্টমার বারবার ফোন ধরেন না।
- হোল্ডের অর্ডার একজন মানুষ দেখুক। কল কনফার্ম না হলে অর্ডার বাতিল না করে হোল্ডে রাখুন। হয়তো কাস্টমার তখন বাসে ছিলেন।
এভাবে ভালো কাস্টমার সহজে অর্ডার করেন, আর ঝুঁকির অর্ডারে আপনি সুরক্ষিত থাকেন।
প্রতিটা অর্ডারে কল দেবে কে?
দিনে অর্ডার বাড়লে সবাইকে ফোন করা কঠিন হয়ে যায়। স্বরবর্ণ এই কাজটা করে। AI এজেন্ট দেশি নম্বর থেকে বাংলায় কাস্টমারকে ফোন করে, অর্ডার আর টাকা পড়ে শোনায়, কনফার্ম নেয় আর ঠিকানা মিলিয়ে নেয়। কল চলে সেকেন্ড হিসাবে: মিনিটে ৪ টাকা, সাইন আপে ২ মিনিট ফ্রি।
পড়ুন COD অর্ডার কনফার্মেশন কীভাবে কাজ করে, আর দাম দেখুন।